রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৩
Movie I want to see in this summer 2013
শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৩
My Phone History
1. Samsung X610 (2006 to February 2007 )
2. LG KU311 (February 2007 to February 2009 )
3. Nokia 5132 XpressMusic (February 2009 to August 2009)
5. Sony Ericsson Vivaz pro (September 2010 to September 2012)
6. Samsung Galaxy S II X T989D (September 2012 till today)
বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০১১
এ কোথায় এলাম বিদায় জানাতে?
মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১০
X-Factor
X-Factor
কোন সমীকরণে অজ্ঞাত রাশির নাম x. যখন কোন কিছুর মান জানা থাকে না তখন তাকে x হিসাবে ধরে নিয়ে জানা মান গুলো দিয়ে একটা সমীকরণ তৈরি করে x এর মান বের করা হয়। যেমন ধরা যাক a এবং b দুইটা জানা রাশি। এখন দুটোকে যদি সমান প্রমান করতে চায় তবে লিখতে পারি,
| From Blogger Pictures |
| From Blogger Pictures |
| From Blogger Pictures |
| From Blogger Pictures |
| From Blogger Pictures |
এখন আসা যাক এর সাথে x factor এর কি সম্পর্ক। এখন যদি ধরি আমাদের জানা, বা আবিস্কিরিত জ্ঞানের পরিমান b এবং মহাবিশ্বের সকল রহস্যময়তা জানা অজানা বিষয়ের পরিমান a. এখন a এবং b কে সমান করতে গেলে বিশাল শক্তিশালী একটা x লাগে। আমাদের জানা জ্ঞান দিয়ে এই x এর মান দেওয়া সহজ নয়। যুগ যুগ ধরে নানা মহামানব এই x এর মান দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাদের প্রায় সবাই x এর মান হিসাবে ধরে নিয়েছেন ঈশ্বর বা আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তাকে।
একেক জন মানুষ একের কারনে আল্লাহকে বিশ্বাস করে। আমি বেশ কয়েকদিন ধরে আমার বিভিন্ন বন্ধু বান্ধবী, পরিচিত জনের মধ্যে এটা নিয়ে একটা জরীপ চালিয়ে ছিলাম। সবার কাছে প্রশ্ন করেছিলাম কেন ধর্ম পালন কর। আমি কোন গানিতিক পরিসংখ্যান তৈরি করিনি,তবে তাদের অধিকাংশের উত্তর ছিল এরকম
১) সঠিক ভাবে জানে না কেন ধর্ম পালন করে। তাদের কাছে জিনিষটা কিছুটা সবাই করে তাই করি টাইপের। কখনও সিরিয়াস ভাবে এ নিয়ে ভেবে দেখেনি।
২) এদের ঈশ্বর খুব কঠিন টাইপের কেউ। ধর্ম পালন না করলে বিপদে পড়তে হবে বা মরে গেলে দোজখে যেতে হবে কঠিন শাস্তি হবে তাই এরা ধর্ম পালন করে।
৩) এই দলের লোকেরা আবার ঈশ্বরকে মনে করে সব ভাল কিছু দেনেওয়ালা। নামাজ পড়লে বা ঈশ্বরের ইবাদত না করলে ভাল কিছু জীবনে পাওয়া যাবে সেই লোভে এরা ধর্ম পালন করে।
৪) এই দলের লোকেরা ধর্ম পালন করে মনের শান্তির জন্য। এদের কাছে নামাজ কিছুটা মেডিটেসন।
আমি নিজেকে যখন প্রশ্ন করলাম, এদের কোন দলে নিজেকে ফেলতে পারলাম না। যেহেতু এই লেখা লিখছি তাই প্রথম দলে পড়ার প্রশ্নই আসে না। আর আল্লাহকে আমার কখনও এত প্রতিহিংসা পরায়ান ভাবতে ইচ্ছা করে না। শুধু তার কথা মত না চললে, তার ভয়ে কুকড়ে না থাকলে তার নিজের এত সুন্দর সৃষ্টিকে সে এত বড় শাস্তি দিবে, না আমি অন্তত পক্ষে মানতে পারি না। তাই ২য় দলেও পড়িনা। আর ধর্ম পালন করলেই সব ভাল কিছু পাওয়া যায় এটা আমি নিজের আভিজ্ঞতা থেকে মানতে পারিনা। খুব ধার্মিক আপাত ফরহেজগার লোকেও মহা বিপদে পড়তে দেখেছি। একই ভাবে অনেক বদমাস ফাজিল অধার্মিক লোকের শোভাগ্যের মহা উৎসব দেখেছি। তাই মনে হয়নি আল্লাহ ভাল কিছু পাওয়ার সমীকরণ এত সোজা করে দিয়েছেন। সব শেষে বাকি থাকে আত্তিক শান্তি। আমি একসময় খুব ধার্মিক ছিলাম। পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম। একটা অদ্ভুত আত্তিক শান্তি ধর্মের মাধ্যমে পাওয়া যায় তা নিজে অনুভব করেছি। কিন্তু যখন দেখি একজন অন্য ধর্মের লোক অন্য ভাবে সে একই শান্তি উপলব্ধি করে তখন এই বিশ্বাস টা কিছুটা টলে গেছে। এর পর মেডিটেশন সম্পর্কে জানার পর দেখলাম একই শান্তি কোন ধর্ম বিশ্বাস ছাড়াও পাওয়া যায়। তাই এই বিশ্বাস টা বেশি দিন ধরে রাখতে পারিনি।
এর পর যখন বিজ্ঞান নিয়ে পড়া লেখা শুরু করলাম দেখলাম আমি কত কিছু জানি না। তখন আমার মনে হল আমি আল্লাহতে বিশ্বাস করি কারন আমি জানি, আমি কত কিছু জানি না, কত কিছু জানা সম্ভব না । তাই ঈশ্বর আমার কাছে x factor, যাকে দিয়ে আমার জানা আর অজানা জগৎতের এই বিশাল অসম সমীকরণকে নিমিষে সমাধান করে ফেলা যায়। সৃষ্টি কর্তা বলে কিছু নেই একথা বলার মত প্রয়োজনীয় তথ্য আমার হাতে নেই। সম্ভবত আর ও শত শত বছরেও এই তথ্য আমরা পাবো না। আমাদের ক্ষুদ্র মস্তিস্ক দিয়ে সব কিছুর সমাধান করতে পারি না, সত্যি পারি না। যেমন আমরা ত্রিমাত্রিক জগতের মানুষ ধারনা করতে পারি না চার বা তার বেশি মাত্রার জগৎ কেমন হতে পারে। মহাবিশ্বে অধিকাংশ বিষয় এইরকম আমাদের চিন্তার সীমার বাইরে, আমরা সেটা ধারণাও করতে পারি না।
আমি সব থেকে বেশি অবাক হই যখন দেখি মানুষ তার এই সামান্য জ্ঞান দিয়ে ঘোষনা করে মহা বিশ্বের কোন সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ বলে কেউ নেই। বিষয়টা কেমন জানি একটা পিপড়া একটা সহস্র তালা বিল্ডিংয়ের নিচতলায় দাড়িয়ে ধারনা করার চেষ্টা করছে পুর বিল্ডংটায় কি হচ্ছে, যখন তার ক্ষমতা নেই তার নিজের তলায় কি হচ্ছে তা পুরোপুরি জানার বা বোঝার।
আমি একজন বিজ্ঞানের একনিষ্ট ভক্ত হিসাবে এটা মানতে পারি না। তাই x factor ই আমার নিজের কাছে ঈশ্বরের বিশ্বাস।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভাষায়
সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর।
আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর॥
কত বর্ণে কত গন্ধে, কত গানে কত ছন্দে,
অরূপ তোমার রূপের লীলায় জাগে হৃদয়পুর।
আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর।
তোমায় আমায় মিলন হলে সকলি যায় খুলে--
বিশ্বসাগর ঢেউ খেলায়ে উঠে তখন দুলে।
তোমার আলোয় নাই তো ছায়া, আমার মাঝে পায় সে কায়া,
হয় সে আমার অশ্রুজলে সুন্দরবিধুর।
আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর॥
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০৯
Lake Winnipeg tour
তারিখ : ০৫-০৯-২০০৯
আজ আমি আমার দুই রুমেট সায়িদ ভাই সন্জয় ভাই আর সুমি আপা সবাই মিলে লেক উইনিপেগ ঘুরতে গিয়েছিলাম।
এই খানে দুই জায়গার ম্যাপ।
একটি বৃহত্তর মানচিত্রে Winnipeg Lake Tour দেখুন
আমার মত ছাপোষা বাংগালীর কাছে বিচ মানে বিশাল সমুদ্র। জীবনে প্রথম লেক বিচ দেখলাম। বিচের মানে যদি হয় মানে বিশাল জলাধার আর তার কিনারে বালির তীর তাহলে বিচ হিসাবে লেক বিচের সব কিছু আছে। নেই শুধু বিশাল বিশাল ঢেউ, ঢেউ এর গরজন, আর লোনা পানি , লোনা বাতাস। তবে কানাডার একদম বুকের মাঝখানে বসে সমুদ্রকে বাড়ির কাছে আশা করা বোকামি। তাই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর জন্য এগুলো খারাপ না। এখানে কিছু ছবি দিলাম।
যাওয়ার পথে
ধাতব মুদ্রা তৈরির কারখানা। বাংলাদেশের মুদ্রাও এখানে তৈরি হয়।
যাওয়ার পথে সমতলের মাঝে উচু নিচু পথ
ভিক্টোরিয়া বিচে ঢোকার মুখে
ভিক্টোরিয়া বিচ
গ্রান্ড বিচে বালির শিল্পকর্ম
গ্রান্ড বিচে আমি
গ্রান্ড বিচ
বালির দুর্গ
গ্রীষ্মের আকাশে আলো ছায়ার খেলা
গ্রান্ড বিচে সূর্য ডোবার আগ মূহুর্তে
আরও একটা
ফেরার পথে
সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০০৮
আবার আসিব ফিরে
রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
বাংলা কিবোর্ড ও আমার প্রস্তাবনা
কম্পিউটার এ বাংলা লেখার সাথে পরিচয় অনেক দিনের। কিন্তু এখনও এব্যপারটাতে আমি পারর্দশী হয়ে উঠতে পারিনি। কারন বাংলা লেখার ক্ষেত্রে আমার দুর্বলতা ও ধীর টাইপিং দক্ষতা। তবে নানা কিবোর্ড ব্যবহার করতে গিয়ে ব্যবহারকারী হিসাবে সবগুলোতে কিছু না কিছু সমস্যা পেয়েছি। অন্তঃপক্ষে আমার কাছে কোনটাকে মনে হয়নি এটাই কম্পিউটারে বাংলা লেখার ক্ষেত্র চুড়ান্তরুপে গ্রহন করা যেতেপারে। তাই ব্যবহারকারী হিসাবে আমি কিছু প্রস্তাবনা রাখছি। এব্যপারে যারা কাজ করছেন তাদেরকে বিষয়টা একটু ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো। এবার আসা যাক মুল কথায়। সবগুলো কিবোর্ড নিয়ে আমি পয়েন্ট আকারে আলোচনা করবো।
২) অভ্র: বাংলা লেখার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইল ফলক। নতুন প্রজন্মের অধিকাংশ এখন এটা ব্যবহার করে। সহজ কিবোর্ড বিন্যাস এবং ফ্রি হওয়াতে এটার প্রসার হচ্ছে দ্রুত। কিন্তু উইনডোজ নির্ভর হওয়াতে অন্যান অপারেটিং সিসটেম এ এর কোন গ্রহন যোগ্যতা নেই। আমার কাছে এটাকে আলটিমেট বলে মনে হয়নি। মেমরিতে সবসময় একটা সফটওয়্যার জায়গা দখল করে রাখে। অন্যান ইউনিকোড ভাষাগুলো কম্পিউটারে যেভাবে সংযুক্ত হয় এটা মনে হয় সেভাবে হয় না। আমি কিছুদিন ব্যবহার করে পরে বাদ দিয়েছি।
৩) ফনেটিক (ওয়েব ইন্টারফেস): অভ্র ফনেটিক এবং ওয়েব নির্ভর ফনেটিক-এ কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। ইন্টারনেটে লেখার জন্য ওয়েব ফনেটিক (ওয়েব ইন্টারফেস) খুবই ভাল জিনিষ। কিন্তু অফলাইনে বা ইন্টারনেট বিহিন কম্পিউটারে লেখার জন্য এর কোন ইন্টারফেস (অভ্র বাদে) আমার চোখে পড়েনি।
৪) রুপালী/ প্রভাত: রুপালি একুশের পরিক্ষামুলক কিবোর্ড। প্রভাত সেটার পরিমার্জিত সংস্করন। আমি প্রভাত ব্যবহার করি। কারন মেমরিতে কোন আলাদা জায়গা দখল করে না। অন্যান ইউনিকোড যেভাবে কম্পিউটারে সংযুক্ত হয় এটাও মনে হয় সেভাবে সংযুক্ত হয়। এটা বাংলা লিনাক্স এর ডিফল্ট কিবোর্ড। লেআউট কিছুটা ফনেটিক কিবোর্ড লেআউট অনুসরন করে তৈরি করা। তবে এর কিবোর্ড এ কিছুটা গোজামিল আছে। কিছু অক্ষর কে তো ঠেলতে ঠেলতে নিউমেরিক্যাল কিবোর্ড এ নিয়ে ফেলেছে।
৫) অন্যান: ইউনিজয়, ইনস্ক্রিট, জয়িতা, মুনির এগুলো নিয়ে আমার তেমন কোন ধারনা নেয়।
আমার মতামত: আমার মনে হয় যদি প্রভাত এর কিবোর্ডটা পুর পুরি বাংলা ফনেটিকে রুপান্তর করা যায় তবে সেটা হবে চুড়ান্ত সমাধান। টেকিনিক্যাল কারণে হয়তো পুরপুরি ফনেটিক লেআউট অনুসরন করা সম্ভব নয়। তবে কিবোর্ড লেআউটা আরও কিছুটা ঘষামাজা করে যতটা সম্ভব ফনেটিকের কাছাকাছি নেওয়া যেতে পারে। যারা এবিষয়ে কাজ করেন তাদের কাছে এটা আমার অনুরোধ।
বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
নাম দিয়ে কি হয়…
এবার নাম নিয়ে এত প্যাচালের আসল কথায় আসি। নাম মনে রাখার ক্ষেতে আমি গোল্ড ফিস। এই নিয়ে আমার ভোগান্তিও কম হয়নি। অনেক দুরসম্পর্কের আত্মীয় আছে যাদের সাথে দেখা হলে চট করে আমি নাম মনে রাখতে পারিনা। ভাব বাচ্যে কথা চালাতে হয়। আর রাবনের বংশধর হবার সুবাদে বিশাল সংখ্যক চাচাতো, মামাতো, খালাতো ভাই বোনদের যে সুবিশাল নব বংশধর তাদের নাম মাথাতেই আসেনা। তারা ভাবে আমি মনে হয় তাদের ভুলেগেছি অথবা আমাদের ব্যাবধান বেড়ে গেছে।
যা হোক, বিদেশে আসার পর নাম নিয়ে পড়েছি এক নতুন উপদ্রবে। এদের অতি ক্ষুদ্র নাম আমার এই ক্ষুদ্র মস্তিস্কে কিছুতেই থাকতে চায় না। দেড় বছরের বেশি হল ১২ জন ক্লাসমেটের নামই পুরটা এখনও মুখস্থ হয়নি। তবে দোষটা পুর পুরি আমার না। অধিকাংশ ক্ষেত্র এদের নাম সকল বাংগালীর কাছেই এবং অধিকাংশ বিদেশির কাছে সহজ উচ্চরিত নয়। সেটা এরাও ভাল করে জানে। তাই প্রথম পরিচয়ে নামটা কয়েক বারেও যখন ঠিকমত উচ্চারন করতে পারিনা, তখন এরা একটা সোজা নাম বা ইংরেজি নাম ধরিয়ে দেয়। সেটা মনে রাখতে অনেক সোজা। কিন্তু সমস্যা হল এই নামে এদের স্বদেশিরা এদের চেনেনা। আর যদি নামটা হয় তাদের বংশ নাম তা হলে ঐ নামে তাকে খোজ করা, আমার বাবাকে বলে বাজারে গিয়ে চিৎকার করা সমান কথা। একবার আমার প্রফেসরকে গিয়ে বললাম মিঃ কিম এটা দিছে। কিন্তু কোন কিম তা আর চিনাতে পারিনা। কারণ এখানে কিম বংশের লোক আছে ৫-৬ জন। তাই নাম মুখস্থ করাটা এখন বোঝার উপর শাকের আটি হয়ে গেছে। চেষ্টা করে যাচ্ছি , উপায় নাই গোলাম হোসেন, উপায় নাই।
বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০০৮
মাচু পিচু Machu-Picchu
মাচু পিচু নতুন সপ্তম আশ্চার্যের অন্যতম। যায়গাটা তার যোগ্য সম্মান পেয়েছে। পারলে ঘুরে আসুন মাচু পিচু। না পারলে আমার মত গুগলই ভরসা। জিগায় দেখেন অনেক কিছু পাবেন, যা আফছোচটা আরও বাড়িয়ে দেবে। ছবি গুল গুগল সার্চ থেকে নেয়া।
মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০০৮
আমি একজন মুসলিম
বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০০৭
পরবাস
ঢাকা শহরের আমার প্রায় এক বছর এর জীবন ছিল আমার জন্য দুঃসহ। প্রতি-দিন গ্রামীন এ প্রায় যুদ্ধ করে অফিস করা, গ্রাহক সেবার কাজে দৈনিক প্রায় ঘন্টা খানেক টানা রোদে ঢাকা শহর ভ্রমন। জীবন বড় দুঃসহ মনে হচ্ছিল। মাঝে মাঝে মনে হত এ জীবনের কোন তাৎপর্য নেই। নিজের স্বপ্ন ভঙ্গ থেকে তখন বাবা-মা এর স্বপ্ন পুরনের ব্যার্থতা অনেক বেশি কষ্ট দিত। তখন মনে হত যদি বিদেশ যেতে পারতাম তাহলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হবে। অফিসে কাজের ফাকে সময় পেলেই বিদেশে প্রফেসর দের কাছে আবেদন করতাম। আর তীর্থর কাকের মত বসে কখন একটা রিপ্লাই আসবে।
প্রায় শ-খানেক আবেদন করার পর মাঝে মাঝে একটা দুইটা রিপ্লাই আসতো। কিন্ত স্কালারশিপ এর কথা বললেই অধিকাংশ নেতিবাচক মন ভাব দেখাতো। অবশেষে একজন ইতিবাচক সাড়া দিল। তারপর আর তার কোন সাড়া নেই, তাই এটার আশাও বাদ দিলাম। অবশেষে একমাস পর হঠাৎ করেই আবার মেল খুলে দেখি সেই প্রফেসর এর মেল। এ এক মাস তিনি জাপানে সেমিনার এ ছিলেন। আমার ফোন নাম্বার চাইলেন। প্রথম দুই বার ফোন করলেন আমি গ্রামীন এ উঠার পর। তাই কোন কথা বুঝতে পারলাম না। তৃতীয় দিন অফিসের কাজ শেষ করে সাভার থেকে মাত্র ক্যাব এ উঠছি এ সময় বিদেশি ফোন। চারিদিকে শব্দ এর ভিতর চলন্ত ক্যাব এ বসে প্রফেসর আমার ভাইভা নিলেন। ভাইভা শেষে বললেন আমি পাশ। আমার ঠিকানা ই-মেল করতে বললেন কাগজ পত্র পাঠাবার জন্য। মনে হল অবশেষে মুক্তি।
এর ভিতরে ও অপেক্ষাই ছিলাম যদি কোন ভাল প্রতিষ্টানে চাকুরি পাই তাহলে সব বাদ। কারন জানতাম বিদেশ গেলে দেশে ফিরে আশা খুব কঠিন হবে। তাই শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি যদি দেশে একটা ভাল চাকরি পাই। আজ যখন যে সব বন্ধু ভাল যায়গাই আছে, তাদের বলি তোর চাকরিটা আমি পেলে আমি বিদেশে আসতাম না তাই শুনে ওরা আমাকে বোকা বলে। কিন্তু এই ক্ষন স্থায়ী জীবনে যদি মা-বাবা ভাই বোন নিয়ে এক সাথে থাকতে না পারলাম, আজীবন বিদেশে গাধার খাটনি করে গেলাম, আর কয়ে বছর পর পর কিছু দিনে জন্য দেশে ফেরে গেলাম। না আমার এজীবন ভাল লাগে না। নিজের পরিশ্রম এর অর্জন গুলো যদি নিজের প্রিয় জনদের সাথে এক সাথে উপভোগ করতে না পারলাম তবে সে অর্জন কেমন জানি ফিকে।
মাঝে মাঝে এ সব ভাবলে পুরো জীবন টাকেই ফিকে মনে হই।
আমি
যাই হওক , আমি তারেক , অতি সাধারণ বাঙ্গালি। র্বতমানে আছি সউল এ। বালি নিয়ে আমার কাজ। সারাদিন বালি নিয়ে ঘাটতে ঘাটতে জীবন- টা বালি ময় হইয়ে গেছে। বাংলা খাবার মিছ করি, কারণ আমি যেখানে থাকি সেখানে রান্না করা নিষেধ।মাঝে মাঝে মন খারাপ হলে কাজ শেষে রাতের আকাশ দেখি। আর প্রতাশা করি আমার দেশের জন্য একটা নীল আকাশ-এর।
সিরাজ দৌলার শেষ আক্ষেপ কবে কাটবে জানি না। বাংলার আকাশ কবে র্দূযোগ এর ঘন ঘটা মুক্ত হবে তাও জানি না। তবে নীল আকাশের প্রতাশিদের সাথে আজীবন কাজ করে যাবার প্রতাশ রাখি।





